1. [email protected] : গল্পের রাজ্যের রাজা : গল্পের রাজ্যের রাজা
বিডি শপ থেকে শপিং করার অভিজ্ঞতা » TECH TEN
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

বিডি শপ থেকে শপিং করার অভিজ্ঞতা

  • Update Time : সোমবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২১

আসসালামু আলাইকুম! আশা করি সকলেই ভাল আছেন।
আমার শপিং করার অভিজ্ঞতা গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করছি। শুরুতেই বলতে হচ্ছে, হয়তো আমার লেখার মধ্যে ভুল ত্রুটি থাকতে পারে আপনারা অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

আমি সচরাচর বেশিরভাগ সময়ে অনলাইনে কেনাকাটা করি। আমার অনলাইনে কেনাকাটা প্রোডাক্ট গুলোর মধ্যে বেশিরভাগ প্রোডাক্ট হচ্ছে “টেক রিলেটেড গেজেট”। আমি অবশ্য একজন টেক লাভার। টেক রিলেটেড সবকিছুই আমার খুবই পছন্দনীয়।

আমি ইউটিউবিং করার লক্ষ্যে ২০১৮ সালে আমার জীবনে অনলাইনে প্রথম প্রোডাক্ট আমি “BDSHOP” থেকে অর্ডার করি। আমার প্রোডাক্ট ছিল “BOYA M1 Microphone & Tripod”। এই প্রোডাক্ট দুটি কেনার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইউটিউবিং করা।

তবে মজার বিষয় হচ্ছে, আমি যেদিন এই প্রোডাক্টটি অর্ডার করি ঐদিন “BDSHOP” এ বিকাশে পেমেন্ট করলেই ডিসকাউন্ট ছিল। আমিও এই সুযোগটি হাতছাড়া না করে ঐ দিনিই প্রোডাক্ট দুটি অর্ডার করে দেয়। সাথে সাথে পেয়ে যাই ডিসকাউন্ট।

আমি তখন ছিলাম স্টুডেন্ট এবং এখনো স্টুডেন্ট কিন্তু পাশাপাশি ইন্টারনেটে একটা ইনকাম আমার হচ্ছে। তখন আমার কোন ইনকাম ছিলনা। ইউটিউবিং করার অনেক বড় একটা ইচ্ছে আমার মধ্যে জাগল, কিন্তু কি করব আমি তো বেকার আমারতো ইনভেস্ট করার মত ক্ষমতাও নেই। বলতে গেলে আমার নেশার মতো হয়ে গেল ইউটিউবিং করার আগ্রহ টা। তখন বুঝতে পারছিলাম না কিভাবে আমি এই প্রোডাক্ট দুটো কিনব।

কথায় আছে, বান্দার ইচ্ছে যেখানে শেষ আল্লাহর ইচ্ছা সেখানেই শুরু। আমাকে বাসা থেকে পুরো এক মাস চলার জন্য ১,৭০০৳ দিল। আমি আর কোন রকম চিন্তাভাবনা না করে বিকালবেলা বাজারে গিয়ে টাকাটা এক বড় ভাইয়ের পার্সোনাল বিকাশ নাম্বারে লোড করে আনি। অতঃপর আমি জানতাম যে কালকে “BDSHOP” এ ডিসকাউন্ট চলবে! অবশ্য এই নোটিফিকেশন বিডি শপ এর পেজ থেকেই পেয়েছিলাম। আমি আর কোন ধরনের বাড়তি চিন্তা না করে বড় ভাইয়ের ফোন থেকে প্রডাক্ট দুটো সিলেক্ট করে অর্ডার কমপ্লিট করে দেই।

অর্ডার কমপ্লিট হওয়ার ৩ দিন পরে আমাকে আমার শহর “মঠবাড়িয়া” থেকে ফোন করে। আমাকে ফোন দিয়ে বলে যে, আপনি কি সাইফুল ইসলাম বলছেন, আপনার নামে আমাদের কাছে একটা পার্সেল আসছে এসে নিয়ে যাবেন। আমিতো খুশিতে আত্মহারা। কিন্তু হঠাৎ মনে পড়ল, শহরে যেতে হলে তো ১০০৳ গাড়ি ভাড়া লাগবে যেতে আসতে। আমি টাকা কই পাবো। বাসায়তো টাকা চাওয়া যাবে না আমাকে কালকেই ১,৭০০৳ দিয়েছে। পড়ে গেলাম মহা বিপদে। 🤔

আমি আমার অবস্থান থেকে ১০০৳ ম্যানেজ করার চেষ্টায় কোন ধরনের ঘাটতি রাখেনি। আর কেইবা আমাকে টাকা দিবে। বিশেষ করে মনের মধ্যে হালকা ভয় ও ছিল পাশের বাসা থেকে টাকা নিলে হয়তো আব্বুর কাছে বলতে পারে! এই ভয় মনের মধ্যে কাজ করছিলো, আমি পাশের বাসা থেকেও টাকা নিতে পারিনি।

এর উপরে দেখি ফোনে এমবি আছে মাত্র ৪০৫ এমবি। কি করবো মাথায় ঢুকছিল না। আমার ক্লাস ফ্রেন্ডের একটা বিষয় মাথায় আসলো। আমার ফোনে টাকা না থাকায় আমি আব্বুর ফোন থেকে ওকে কল করি এবং ওর থেকে ১০০৳ সংগ্রহ করে পরের দিন চলে যাই শহরে প্রোডাক্ট রিসিভ করতে।

অবশ্য মনের মধ্যে অনেকটা ভয় কাজ করছিল, তারা কি প্রশ্ন করে কি বলে এই বিষয়গুলো নিয়ে। আমি আগেই বলেছিলাম আমার জীবনে প্রথমবার আমি অনলাইনে কেনাকাটা করেছি “BDSHOP” থেকে। তারপরও যেতে তো হবেই প্রোডাক্টটা দুটো রিসিভ করার জন্য। বাসা থেকে রওনা দিলাম প্রোডাক্ট রিসিভ করার উদ্দেশ্যে গাড়িতে উঠলাম। ইজিবাইকে প্রাই ৩০ মিনিটের বেশি সময় লাগে, আমার কাছে মনে হয়েছিল সময়টা যাচ্ছিল না।

যাইহোক একপর্যায়ে কুরিয়ার অফিসে পৌঁছে যাই! একজনের কাছে গিয়া আমি বললাম আমাকে এখান থেকে ফোন করা হয়েছিল প্রোডাক্ট রিসিভ করার জন্য। উনি আমাকে বলল ওখানে গিয়ে বসো। আমি গিয়ে প্রায় ৫-৭ মিনিট বসে রইলাম। এরপরে আমাকে একজন ডাক দিল এদিকে আসো, আমি তার কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম! উনি আমাকে জিজ্ঞেস করল তোমার নাম কি, আমি নাম বললাম এরপর বলে তোমার মোবাইল নাম্বার বল। মোবাইল নাম্বার বলার পরে উনি সবকিছু আইডেন্টিফাই করে দেখলো ঠিকঠাক আছে। উনি আমাকে কলম দিয়ে বলল এখানে একটা স্বাক্ষর করো। আমি ওখানে স্বাক্ষর করলাম।

উনি অন্য একজনকে বলল “সাইফুল নামের যেই প্রোডাক্ট আসছে এটা ওনাকে দিয়ে দেন” ওই লোক দেরি না করে প্রোডাক্ট দুটো এনে আমার হাতে তুলে দিল। আমি অবাক 🙄 এগুলোতো প্যাকেট করা কিভাবে দেখব এগুলো আসলে কি। শুরু হলো মনের মধ্যে নতুন খোঁচা। মনে মনে চিন্তা করলাম যাই হোক যেহেতু আমার নামে তাহলে তো আমার অর্ডার করা প্রোডাক্ট দুটোই আসবে। প্রডাক্ট দুটো হাতে নিয়ে ভালো করে দেখার পরও লক্ষ করলাম এখানে “BDSHOP” এর স্টিকার আছে, এবং স্টিকারের গায়ে আমার অর্ডার করা প্রোডাক্ট দুটোর নাম আছে। আমি ততক্ষণে কনফার্ম হলাম।

এবার বাড়িতে ফেরার পালা। বাড়িতে ফেরার উদ্যেশ্যে একটা গাড়িতে উঠলাম গাড়িতে বসলাম কিছুক্ষণ পর গাড়ি ছেড়ে দিল, কিন্তু আমার মনের মধ্যে প্রডাক্ট দুটো দেখার জন্য আর তর সইছিল না! আমি গাড়ির মধ্যে বসেই প্রোডাক্ট আনবক্সিং করে ফেলি 🤭। যাক এখন অনেকটা শান্ত।

আল্লাহর অশেষ রহমতে ঠিকঠাকভাবে বাড়ি ফিরি। কিন্তু আমি ভুলে গিয়েছিলাম এই গুলো যখন বাসায় নিয়ে যাব তখন আব্বুর কাছে কি জবাব দিব। পড়ে গেলাম নতুন চিন্তায়! অনেক চিন্তা করতে করতে হঠাৎ করে মাথায় আসলো এইগুলো আমি “লটারিতে পেয়েছি” এটা বলে তাদেরকে চালিয়ে দিব 😁। অবশ্য চালিয়ে নিতে পারছিলাম এটা বলেই।

শুরু হলো আমার প্রোডাক্ট গুলো নিয়ে গবেষণা করা। দুইটা প্রোডাক্ট সেট করতে আমার সর্বোচ্চ সময় লেগেছিল প্রায় ৩ ঘন্টা। অবশ্য তখন আমি ইউটিউবে সার্চ করলে পেয়ে যেতাম এর সেটাপ গুলো। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমার ফোনে তখন এম্বি ছিলো খুবই কম। যাই হোক, রুমের দরজা বন্ধ করে রুমের সব লাইট অন করে দিই। রুম একদম ঝকঝকে চকচকে হয়ে গেছে। এবার মোবাইলটি ট্রাইপোড এর সাথে এটাস্ট করলাম, এবং মোবাইলের সাথে মাইক্রোফোন কানেক্ট করলাম।

মাইক্রোফোন ঠিকঠাকভাবে চলছিল কিনা চেক করার জন্য, নিজে নিজে কিছুক্ষণ ভগর ভগর করলাম। হ্যাঁ মাইক্রোফোন ঠিক আছে এবার আর কোন টেনশন নেই। দুপুরের খাওয়া-দাওয়া শেষ করলাম! বিকেলের দিকে আবারও ভিডিও বানানোর উদ্দেশ্যে রুমের দরজা বন্ধ করলাম রুমের সব লাইট জ্বালিয়ে দিলাম। একটা ভিডিও তৈরি করে ফেললাম টেক রিলেটেড। সাউন্ড কোয়ালিটি খুব ভালো পেলেও লাইটিং ছিল খুবই বাজে। যাইহোক কিছুই করার নেই।

ও হ্যাঁ বলতে ভুলে গিয়েছিলাম! প্রোডাক্ট গুলোর সাথে ছিল একটা “খাম”। খামের মধ্যে একটা কাগজ ওটাতে আমার প্রোডাক্টের প্রাইস এবং ডিটেলস ছিল। অবশ্য প্রোডাক্টের সাথে একটা “১০০৳” ভাউচার কার্ড পেয়েছিলাম। ওই ভাউচার কার্ডের মাধ্যমে আমি পরবর্তীতে 100 টাকা সেক্রিফাইস পাব।

এভাবেই চলতে থাকল আমার দিন। দিন দিন ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করতে করতে এক সময় ইন্টারনেট আমার খেলাধুলার সময়টাও কেড়ে নেয়। আমি প্রচুর আসক্ত হয়ে পড়ি ইন্টারনেটের প্রতি। তাও আমার স্বপ্ন ছিল আমি একদিন অনেক বড় ইউটিউবার হবো। কিন্তু এভাবে তো আর সফল হওয়া যায় না 😭 তখন এটা বুঝতে পারিনি। যাইহোক এভাবে দিনের পর দিন কাটতে লাগল।

আল্লাহর অশেষ রহমতে, আমি এখন সেই ইন্টারনেটের মাধ্যমেই প্রতিমাসে আমার নিজের চলাফেরার খরচ ইনকাম করি পাশাপাশি আব্বুকে ও সহযোগিতা করতে পারি। অবশ্য এখন বাসা থেকেও আমাকে সাপোর্ট করে ইন্টারনেটে কাজ করার জন্য। আমি মোবাইল দিয়ে যেদিন প্রথম টাকা ইনকাম করি সেই দিন আমি ওই টাকাটা নিজের জন্য রাখছিলাম না, টাকাটা আমি আব্বুকে দিয়েছিলাম একটা কাজে খরচ করার জন্য।

আমার প্রথম ইন্টারনেট থেকে মোবাইল দিয়ে ইনকাম ছিল ৪৬৫৳ 🤣। তখন এই টাকাটা আমার কাছে লক্ষ টাকার মতো মনে হয়েছিল। কিছুদিন পর আমি আব্বুর কাছে আবদার করি একটা ল্যাপটপের জন্য। অবশ্য আব্বু আমাকে একটু রাগ কন্ঠে বলেছিল আর কত কি চাই? আমি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে মানে মানে কেটে পরি। গিয়া শুরু করলাম আম্মু কে পটানো!

পরে আম্মু, আব্বুকে বুঝানোর পর আব্বু ৮,০০০৳ টাকা দিলো একটা সেকেনাল ল্যাপটপ কেনার জন্য। আর আম্মু দিল ২,০০০৳। হয়ে গেল আমার ১০,০০০৳। আমাকে আর কে আটকায় এখন 😳।

আমার মামারা ঢাকায় থাকতো। আমি বড় মামাকে একটা পুরনো ল্যাপটপ এর কথা বলি, মামা একটা পুরনো ল্যাপটপ সংগ্রহ করে ৪ দিনের মধ্যে। সমস্যাটা ছিল টাকার। পুরনো ল্যাপটপ এর দাম চেয়ে বসে ছিল ১৮,০০০৳। পড়ে গেলাম মহা বিপদে। মামা ওনাকে বুঝিয়ে পরিয়ে ১৫,০০০৳ নিয়ে আসলো। আমি আমার দশ হাজার টাকা মামাকে পাঠিয়ে দিই এবং বাকি টাকা মামা নিজের থেকে দিয়ে ল্যাপটপ নিয়ে আসে।

শুরু হলো আমার রাত দিন এক করে ল্যাপটপের সামনে বসে থাকা। অবশ্য তখন আবারো আব্বুর চোখ রাঙানো শুরু হলো। “সারাদিন কি এইটা নিয়ে বসে থাকবি, লেখাপড়া কি এই পর্যন্ত শেষ নাকি, কখনো বলতো চোখ দুটো দুই দিনে শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু আমাকে কে আটকায় আমিতো আত্মহারা। রাত ১-২ পর্যন্ত ল্যাপটপ নিয়ে বসে থাকতাম। অবশ্য তখন এমবি কেনার জন্য নিজের মোটামুটি রোজগার করতে পারতাম ইন্টারনেট থেকেই।

যাইহোক! এভাবে চললো প্রায় আরো ৪ মাস। এরপরে আমি একটা ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানিতে এজেন্ট হিসেবে যুক্ত হয়। আমার কাজ ছিল কাস্টমাররা মেসেজ করলে তার রেসপন্স করা। আমি কখনোই আমার কাজে ফাঁকি দিতাম না। আমি যথারিতি সঠিকভাবে আমার দায়িত্ব পালন করে যেতাম। এভাবে চলতে থাকে আরো ৪ মাস। এখন আমি “ডোমেইন-হোষ্টিং” সম্পর্কে অনেকটা এক্সপার্ট হয়ে গেছি।

শুরু করলাম ওয়েবসাইট তৈরি করার রিচার্জ। গুগল মামা এবং ইউটিউব মামা থাকতে আর কে আটকায় আমাকে। যেখানে বেজে যেতাম ওই বিষয়টা নিয়ে গুগলের সার্চ করলে একটা না একটা সমাধান পেয়ে যেতাম। এখন আল্লাহর রহমতে এবং সকলের দোয়ায় অনেক টাকা প্রতি মাসে ইনকাম করতে পারি।

মূল কথা হচ্ছেঃ BDSHOP এর প্রোডাক্ট দিয়েই শুরু হয় আমার জীবনে অনলাইন যাত্রা। হয়তো ওই সময় ওই দিনে ডিসকাউন্ট না থাকলে আমি এই প্রোডাক্ট দুটো নিতে পারতাম না। এজন্যই বলে সবকিছুর একটা উসিলা হয়। ❤️

আসলে আমার এই সফলতার গল্প টা শেয়ার করার মত তেমন কোন প্ল্যাটফর্ম ছিল না! আর এগুলো কেই’বা পড়বে সময় নষ্ট করে। আজকে ১০-১২-২০২০ তারিখ সন্ধ্যায় ইউটিউবের হোম পেইজে দেখলাম “BDSHOP.com” ইউটিউব চ্যানেলের একটা ভিডিও। ভিডিওটা সম্পুর্ণ দেখলাম এবং আমার কেনাকাটার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার একটা সুযোগ পেলাম। তাই আজকে আমার এই আবেগপূর্ণ কথাগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করা।

আসলে সব কিছুই শুরু হয় একটা উসিলা দিয়া। হয়তো আমার ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইনকাম করার ওসিলা ছিল “BDSHOP”।

তবে আমি এখন আমার প্রয়োজনীয় অনেক প্রডাক্ট অনলাইন থেকেই কেনাকাটা করি। BDSHOP, Daraz আরো কিছু কোম্পানি আছে যাদের থেকে আমি আমার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্ট গুলো প্রতিনিয়ত কিনে থাকি। তবে হ্যাঁ এখন আর গাড়ির মধ্যে আনবক্সিং করিনা 🤗

হয়তো অনেকেই আমার সফলতার গল্পটা সম্পূর্ণ পড়ে থাকবেন। যারা সম্পূর্ণ পড়েছেন তারা অবশ্যই একটা কমেন্ট করবেন। সেই সাথে “BDSHOP” কে অনেক অনেক ধন্যবাদ সবাইকে এমন একটি স্টরি শেয়ার করার সুযোগ দেয়ার জন্য।

আসলে মানুষের দুইটা জিনিসের সময় দিনক্ষণ বেশি মনে থাকে। খারাপ সময় এবং ভালো সময় এই দুইটা সময় মানুষের খুবই মনে থাকে। আমি আমার এই দিনগুলোর কথা কখনোই ভুলতে পারবো না। যাই হোক! অবশ্যই আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।

সবাই ভাল থাকুন! সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Tech Ten
Theme Customized By BreakingNews